রাজ্য পুলিশে ভোট হবেনা, সিআরপিএফ ভোট করাবে, এমসিসি চালু হতে দেন, মন্তব্যন শুভেন্দু অধিকারীর - The News Lion

রাজ্য পুলিশে ভোট হবেনা, সিআরপিএফ ভোট করাবে, এমসিসি চালু হতে দেন, মন্তব্যন শুভেন্দু অধিকারীর




দি নিউজ লায়ন ; এবার বিধানসভার ভোট রাজ্য পুলিশে হবেনা,ভোট করাবে সিআরপিএফ।এমসিসি  চালু হতে দেন, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাঁতনের সভা থেকে রবিবার এমনটাই মন্তব্য করলেন শুভেন্দু অধিকারী। এইদিন পদযাত্রা ও সভাতে উপস্থিত ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী সহ এক ঝাঁক বিজেপির জেলা নেতৃত্ব।এইদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে এমনটাই মন্তব্য করলেন শুভেন্দু অধিকারী।


পাশাপাশি নাম না করে তৃণমূলের এক সাংসদ এর উপর তোপ দাগলেন তিনি।তিনি বলেন এক তৃণমূল সাংসদ বলেছেন মেদিনীপুরে নাকি বিশ্বাসঘাতকদের জন্ম হয়। সেই বিষয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন এই মেদিনীপুরের মাটিতেই ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্ম হয়েছিল। তিনি যদি না বর্ণপরিচয় লিখতেন তাহলে হয়তো আজ উনি নিজের পরিচয় লিখতে পারতেন না।পাশাপাশি তিনি আরো বলেন ভারত বর্ষ গণতন্ত্রের দেশ।


এখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল রয়েছেন সেখানে আমি একজন ভোটার হিসাবে আমার ইচ্ছা অনুযায়ী পছন্দের দলকে ভোট দিতে পারি।গত ২৭ শে নভেম্বর আমি মন্ত্রিত্ব পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছি, পাশাপাশি ১৬ ই ডিসেম্বর বিধানসভা থেকে পদত্যাগ করি, এবং তার পরের দিনই দলের প্রাথমিক সদস্য থেকে পদত্যাগ করার পরই বিজেপিতে যোগদান করেছি।বিজেপি দলে যোগদান  করার অধিকার আমার রয়েছে।এইসব লোকেদের ২০২১ সালের শিক্ষা দেবেন তো, বাংলায় পদ্ম ফুটাবেন তো, আমি চাই কলকাতা ও দিল্লি তে এক সরকার থাকুক।


এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে গত লোকসভা ভোটের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন গত লোকসভা ভোট কিভাবে হয়েছিল সাধারণ মানুষ তা জানেন,ডায়মন্ড হারবারে এমনকি ঘটনা ঘটে গেল যেখানে পঞ্চায়েত নির্বাচনে কোন বিরোধী রাজনৈতিক দল সহ নির্দল প্রার্থীরা নমিনেশন করতে পারেনি। কারণ প্রত্যেকটি বিডিও অফিসের সামনে জেহাদিদের বসিয়ে রাখা হয়েছিল।আমি ছাত্র রাজনীতি থেকে সিপিএমের বিরুদ্ধে একাধিক আন্দোলন গড়ে তুলেছি, বর্তমান সিপিএমের হাল এই রকম পরিস্থিতি হতো না যদি না একাধিক সিপিএম নেতা কে বাদ দেওয়া হতো,অন্যদিকে হোস্টিংয়ে সুনিল মন্ডলের গাড়ি ভেঙ্গে দেওয়ার ঘটনায় তিনি বলেন আমি ঢোকার সময় কেউ কিছু বলতে পারেনি, শুধু শোনা গেল আমি কেন বদলে গিয়েছি আমি পাল্টা বলেছি। 


তোমরা কেন কংগ্রেস ছেড়েছ, বেরোনোর সময় ৫০ জন হো হো করছিল সবগুলো জেহাদী,  পার্টি ক্ষমতায় আসার পর আমাকে নেতাজি ইন্ডোরে ডেকে পাঠানো হয় তাই  বলে দেবে কারণ আমি যে গ্রামের ছেলে, তৃণমূল যুব কংগ্রেস ও তৃণমূল যুবা জানি তা হলো ভাইপো, আমাকে বাদ দিয়ে ভাইপোকে সভাপতি করা হবে, কোন দিক দিয়ে ১১ টা,আমরা কি বানের জলে ভেসে এসেছি এমনটাই মন্তব্য করলেন শুভেন্দু অধিকারী।অন্যদিকে পার্লামেন্টে গেলে সর্বদলীয় ব্যক্তির সাথে কথা বলতে হয় সে ক্ষেত্রে বাধা দেওয়া হতো, এমনটাই মন্তব্য করলেন শুভেন্দু অধিকারী।


সেই সঙ্গে তিনি বলেন সবুজ সাথী প্রকল্পে ভাঙা সাইকেল দেওয়া হচ্ছে,তার কারণ ভাইপো,বিদ্যালয়ে কালো ছলা দেওয়া হয় ,তার কারণ ভাইপো।তৃণমূলে একটি পোস্ট,বাকি সব ল্যাম্পপোস্ট। কেন্দ্র সরকারের প্রকল্প গুলিকে রাজ্য সরকারের প্রকল্প বলে চালানো হচ্ছে।কলকাতা ছাড়া এই দল গ্রামকে কোন  সম্মান দেয় নি বলে তিনি তার ভাষণে বলেন।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.